K. A. M. Ferdouse
সমৃদ্ধ নাগরিক ছাড়া যেমন সমৃদ্ধ ভবিষ্যত কল্পনাকরা যায় না, তেমনি আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া সমৃদ্ধ নাগরিক তৈরির কথা ভাবা যায় না। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগে বর্তমান সরকারের গৃহীত শিক্ষা নীতিতে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিশুর সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত করার লক্ষ্যে তাকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার জন্য যুগোপযোগী ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা প্রদান করা প্রয়োজন। সে লক্ষ্য সামনে রেখে পশ্চিম কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় ওয়েবসাইট চালু করছে যার মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক চিত্র ফুটে উঠবে। আমি সবার সহযোগিতা ও এ উদ্যোগের সাফল্য কামনা করছি।
সভাপতি
পশ্চিম কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ।
Mohammad Abdur Rahim
সরকারের অভীষ্ট ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা তথা প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানের হিতৈষীগণ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর-ই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠান অনলাইন ভার্সন চালু করতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট চালুর মাধ্যমে এর যাবতীয় কর্মকান্ড এক ঝলকে দৃশ্যমান হবে এটা ভেবে আমরা গর্ববোধ করছি। শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবার জন্য দরকারী সকল তথ্য মুহূর্তেই জানতে পারবে।
শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা , তাদের যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। এ দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে,এ আমার একান্ত বিশ্বাস। এটি বাস্তবায়িত করার জন্য যারা ভূমিকা রেখেছেন তাঁহাদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। আমি প্রতিষ্ঠান এবং ওয়েবসাইটের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
মোহাম্মদ আবদুর রহিম
প্রধান শিক্ষক
Welcome To Our Institute
অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যমন্ডিত, পাহাড়ঘেরা, বঙ্গোপসাগর উপকূলে অবস্থিত তিলোত্তমা বন্দরনগরীর উপকণ্ঠে বোয়ালখালী পৌরসভা। অনেক প্রতিভাশালী ব্যক্তির সূতিকাগার এ অঞ্চলের পশ্চিম কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় আধুনিক শিক্ষার একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম নগরীর মাত্র চার কিলোমিটার দুরত্বে এটির অবস্থান।
পশ্চিম কধুরখীল এলাকার কয়েকজন আত্মোৎসর্গিত ব্যক্তির ঐকান্তিক আগ্রহ, সদিচ্ছা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের অনবদ্য ফসল তিল তিল করে গড়ে উঠা আজকের এ প্রতিষ্ঠান। তাঁদের এ অবদান চিরস্মরনীয়।
শিক্ষার বিকাশ ও কুসংষ্কারের অন্ধকার দূর করার
প্রত্যয়ে ১৯৬৩ইং সনে এ প্রতিষ্ঠানের গোড়াপত্তন হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি জুনিয়র
স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তারপর অনেক চড়াই উৎরাই অতিক্রম করে ১৯৭০ সালে
শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক পূর্ণাঙ্গ বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি লাভ করে। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে
ভোকেশনাল / কম্পিউটার ও কারিগরি শিক্ষা চালু হয় এবং ২০১৫ সালে এখানে একাদশ শ্রেণি
কার্যক্রম চালু করা হয়।
রাষ্ট্রীয় শিক্ষানীতির অভীষ্ট বাস্তবায়নে
প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে এখানে সমসাময়িক কলাকৌশল অনুসরণ করা হয়। এজন্য ডিজিটাল শিক্ষা
কার্যক্রম চালু আছে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
এ প্রতিষ্ঠান হতে শিক্ষা অর্জন করে অনেক গুণী ব্যক্তি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক
ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন।
| রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহঃ | শুক্র | শনি |
|---|

